(GRS)
Voice of Madhupur Logo
জিআই আনারসের রাজধানী

মধুপুর সিটিজেন পোর্টাল

Voice of Madhupur • পৌরসভা ও উপজেলা বাতায়ন

বাংলাদেশের আনারসের রাজধানী ও সুবিশাল শালবনের লীলাভূমি

প্রকৃতি, কৃষ্টি ও লালমাটির চিরন্তন জনপদ মধুপুর

টাঙ্গাইল জেলার সুপ্রাচীন শালবন (মধুপুর গড়), জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সুস্বাদু রসালো আনারস, গারো (মান্দি) ও কোচ সম্প্রদায়ের বর্ণাঢ্য নৃগোষ্ঠীগত সংস্কৃতি এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী ও বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক দোখলা স্মৃতিবিজড়িত এক অনন্য উপজেলা।

মধুপুর একনজরে

পরিসংখ্যান ও তথ্য উপাত্ত

টাঙ্গাইল-১
মোট আয়তন
৩৬৬.৯২
বর্গকিলোমিটার
জনসংখ্যা (২০২২)
৩,৩৭,৩৯৩
জন নাগরিক
জিআই পণ্য
আনারস
স্বীকৃতি: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
জাতীয় উদ্যান
৮,৪৩৬
হেক্টর শালবন এলাকা
১টি পৌরসভা, ৬টি ইউনিয়ন, ১১১টি মৌজা এবং ১৮০টি সমৃদ্ধ গ্রাম
১টি
প্রথম শ্রেণির পৌরসভা
৬টি
ইউনিয়ন পরিষদ
৪টি
প্রধান নদ-নদী
১৯৪২
বাণিজ্যিক আনারস সূচনা
ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য

মধুপুর গড়, লালমাটি ও নদী অববাহিকা

প্লাইস্টোসিন প্লাইওসিন যুগের উঁচু চত্বরভূমি নিয়ে গঠিত মধুপুর গড়। এর অম্লীয় লালচে এঁটেল মাটি, পাহাড়ি টিলা আকৃতির চালা ও উর্বর বাইদ জমি এই অঞ্চলকে দিয়েছে এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।

‘চালা’ ও ‘বাইদ’ ভূমিরূপ

মধুপুরের ভূ-প্রকৃতি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। উঁচু ঢিবি বা টিলা আকৃতির বন ও বাগান এলাকাকে স্থানীয়ভাবে ‘চালা’ বলা হয়। আর দুই চালার মধ্যবর্তী নিচু উর্বর সমতল কৃষিজমিকে বলা হয় ‘বাইদ’, যেখানে প্রচুর আমন ও বোরো ধান উৎপাদিত হয়।

মাটির অম্লীয় মাত্রা (pH ৫.০ - ৫.৫)

নদ-নদী ও হাওদা বিল

মধুপুরের বুক চিরে বয়ে গেছে ঐতিহাসিক বংশী নদী, ঝিনাই, বানারআত্রাই নদী। এছাড়া প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ হাওদা বিলসহ অসংখ্য খাল ও জলাশয় স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানি ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করে।

প্রাচীন জলপথ ও কৃষি সেচ ব্যবস্থা

ভৌগোলিক সীমানা

মধুপুরের উত্তরে জামালপুর সদর ও ধনবাড়ী উপজেলা; দক্ষিণে ঘাটাইল ও গোপালপুর উপজেলা; পূর্বে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা ও ফুলবাড়িয়া উপজেলা; এবং পশ্চিমে সরিষাবাড়ী ও গোপালপুর উপজেলা অবস্থিত।

ঢাকা থেকে সড়ক দূরত্ব প্রায় ১৪৫ কিমি
ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদপ্রাপ্ত পণ্য

মধুপুরের আনারস: রসালো স্বাদের বিশ্বনন্দিত ঐতিহ্য

২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক 'মধুপুরের আনারস'-কে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় জিআই (Geographical Indication) সনদ প্রদান করা হয়।

জিআই সনদের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
চাষের ঐতিহাসিক সূচনা (১৯৪২)

১৯৪২ সালে মধুপুরের ইদিলপুর গ্রামের গারো সম্প্রদায়ের উদ্যমী কৃষক মিজি দায়াময় সাংমা ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে মাত্র ৭৫০টি আনারসের চারা এনে নিজ জমিতে রোপণ করেন। স্থানীয় অম্লীয় লাল মাটির গুণে ফলন হয় অভাবনীয়। সেখান থেকেই আজ মধুপুর রূপ নিয়েছে দেশের বৃহত্তম আনারস উৎপাদন কেন্দ্রে।

জলছত্র ও গারো বাজার: দেশের বৃহত্তম হাট

মধুপুরের জলছত্র হাটগারো বাজার হলো এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ আনারসের পাইকারি বাজার। বৈশাখ থেকে আশ্বিন পর্যন্ত প্রতিদিন ভোরে শত শত ভ্যান ও সাইকেলে করে চাষিরা তাজা আনারস নিয়ে আসেন এবং ট্রাকে করে সারা দেশে সরবরাহ করা হয়।

আনারসের প্রধান ৪টি জাত

মৌসুম ও স্বাদ প্রোফাইল

জায়ান্ট কিউ (Giant Kew)

ক্যালেন্ডার

আকারে সবচেয়ে বড় ও ওজনে ২ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়। শাঁস হালকা হলুদ, রসালো এবং সামান্য টক-মিষ্টি স্বাদের।

হানি কুইন (Honey Queen)

জলডুগি

মধুর মতো মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত। মাঝারি আকারের এই ফলের শাঁস গাঢ় সোনালী হলুদ। অত্যন্ত জনপ্রিয় জাত।

অশ্বিনা (Ashwina)

নাবী জাত

প্রধান মৌসুম শেষ হওয়ার পর আশ্বিন-কার্তিক মাসে পাকে। অসময়ে সুস্বাদু আনারসের চাহিদা পূরণ করে।

এমডি-২ (MD-2)

প্রিমিয়াম রপ্তানি জাত

আন্তর্জাতিক বাজারে বহুল প্রচলিত। উচ্চ মাত্রার ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ, কম অম্লীয় এবং দীর্ঘদিন সতেজ থাকে।

সাথী ও অন্যান্য প্রধান ফসল: সবরি ও সাগর কলা আদা ও হলুদ কাসাভা (শিমুল আলু) পেঁপে কাঁচা রাবার খাঁটি মধু
নৃগোষ্ঠীগত সংস্কৃতি ও কৃষ্টি

গারো (মান্দি) ও কোচ সম্প্রদায়ের জীবনধারা

মধুপুর বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সুপ্রাচীন সম্প্রীতির ভূমি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শালবনের নিসর্গে গড়ে উঠেছে গারো (যাঁরা নিজেদের 'মান্দি' বা মানুষ বলেন) এবং কোচ জনগোষ্ঠীর অনুপম লোকসংস্কৃতি।

মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ও 'নকনা'

গারো সমাজ মাতৃসূত্রীয়। পরিবারের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন কনিষ্ঠ কন্যা, যাকে 'নকনা' বলা হয়। সন্তানেরা মায়ের বংশীয় পদবি (মাহারি) ধারণ করে।

ওয়ানগালা (নবান্ন উৎসব)

সূর্য ও শস্যদেবতা 'সালজং'-এর উদ্দেশ্যে নিবেদিত উৎসব। ক্রাম (ঢোল), আদুরি বাজনা ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে যৌথ নৃত্যের মাধ্যমে নতুন ফসল উদযাপন করা হয়।

দাকমান্দা ও বস্ত্রশিল্প

গারো নারীদের স্বহস্তে তাঁতে বোনা রঙিন নকশাদার পোশাক হলো 'দাকমান্দা'। এছাড়া পুরুষদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক গেন্দা ও কোত্থিপ (পাগড়ি)।

ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতি

বাঁশের তাজা কোড়ল (মেওয়া), কলাগাছের ছাইয়ের ক্ষার দিয়ে রান্না করা 'খারি', 'ওয়াক দো'ও কাপা' (মাংসের ঝোল) এবং সুস্বাদু নাখাম বিশেষ জনপ্রিয়।

গারো ভাষার গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দকোষ

মান্দি (Mandi) গারো ভাষার নিজস্ব শব্দ, যার অর্থ 'মানুষ'।
আচিক (A'chik) গারো জনগোষ্ঠীর মুখের নিজস্ব মাতৃভাষা।
সালজং (Saljong) গারো ধর্মের সূর্য ও উর্বরতার প্রধান দেবতা।
মাহারি (Mahari) মাতৃকুলভিত্তিক আত্মীয়তার রক্তের বন্ধন বা গোত্র।
ঐতিহাসিক প্রতিরোধ ও মুক্তিযুদ্ধ

বীরত্বগাঁথা, কাদেরিয়া বাহিনী ও দোখলা বাংলো

মধুপুর গড়ের প্রাকৃতিক শালবন ইতিহাসের বহু যুগসন্ধিক্ষণে স্বাধীনতা ও প্রতিরোধের অবিনাশী দুর্গ হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।

১৯৭১

কাদেরিয়া বাহিনীর দুর্জয় ঘাঁটি

মহান মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক কাদেরিয়া বাহিনী মধুপুরের দুর্গম শালবনে প্রধান সামরিক হেডকোয়ার্টার, অস্ত্রাগার ও ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করে পাকিস্তান বাহিনীকে পরাস্ত করে।

বঙ্গবন্ধু

দোখলা বন বিশ্রামাগারের স্মৃতি

১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনের অগ্নিঝরা মুহূর্তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মধুপুরের নিভৃত শালবনের দোখলা রেস্ট হাউসে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং আন্দোলনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রণয়ন করেছিলেন।

১৮-১৯ শতক

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে মজনু শাহ ও ভবানী পাঠকের নেতৃত্বাধীন ঐতিহাসিক ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনের গেরিলা যোদ্ধারা মধুপুরের গহীন অরণ্যে নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীকে প্রতিরোধ করতেন।

পরিবেশ ও দর্শনীয় স্থান

মধুপুর জাতীয় উদ্যান ও পর্যটন নিসর্গ

সবুজ শাল-গজারির ছায়াঘেরা আঁকাবাঁকা পথ, চিত্রা হরিণের কলরব, হাজার একরের সুবিন্যস্ত রাবার বাগান পর্যটকদের দেয় অনাবিল প্রশান্তি।

জাতীয় উদ্যান

মধুপুর জাতীয় উদ্যান

ঘোষণা: ১৯৬২ ও ১৯৮২ সাল

৮,৪৩৬ হেক্টর আয়তনের এই জাতীয় উদ্যানে রয়েছে শাল, সেগুন, বহেরা ও শতবর্ষী ঔষধি গাছ। এখানে মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, মুখপোড়া হনুমান ও শতাধিক বিরল প্রজাতির পাখির বসবাস।

হরিণ প্রজনন কেন্দ্র ও বন লেক
ঐতিহাসিক বাংলো

দোখলা বন বিশ্রামাগার

প্রাকৃতিক নিস্তব্ধতা ও ইতিহাস

গহীন অরণ্যের বুকে অপূর্ব স্থাপত্যের কাঠের দোখলা বাংলো। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং বনের ছায়ানিবিড় পরিবেশ পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত বাংলো
শিল্প ও নিসর্গ

পীরগাছা রাবার বাগান

৩,০০০ একরের বিশাল বাগান

সারিবদ্ধ সুবিন্যস্ত রাবার গাছ ও কষ সংগ্রহের অদ্ভুত দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমী ও চিত্রগ্রাহকদের প্রিয় গন্তব্য। পাশেই রয়েছে শতবর্ষী প্রাচীন সেন্ট পলস গির্জা।

সেন্ট পলস গির্জা ও রাবার প্রক্রিয়াজাতকরণ

জলছত্র কর্পাস ক্রিস্টি চার্চ ও মিশন

ঐতিহাসিক খ্রিষ্টীয় মিশন এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ঐতিহাসিক সেবামূলক জলছত্র কুষ্ঠ হাসপাতাল (Leprosy Hospital)।

কমিউনিটি ইকো-ট্যুরিজম ও হোমস্টে

গারো পল্লীর শান্ত মাটির ঘরে রাত্রিযাপন, আদিবাসী ঐতিহ্যবাহী খাবার গ্রহণ এবং লোকসংস্কৃতি অবলোকনের চমৎকার আয়োজন।

চুনিয়া কৃষ্টি কেন্দ্র ও পঁচিশ মাইল

শালবনের গভীরে অবস্থিত চুনিয়া গ্রাম আদিবাসী সাহিত্য, সংস্কৃতি ও আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী সূতিকাগার।

ভ্রমণ রুট ম্যাপ

মধুপুরে ১ দিনের সম্পূর্ণ ভ্রমণ পরিকল্পনা

সকাল ৭:০০ হতে সন্ধ্যা ৬:৩০
১ম ধাপ

সকাল (৮:০০ - ১০:৩০)

মধুপুর শহরে পৌঁছে প্রাতরাশ শেষে প্রবেশ করুন মধুপুর জাতীয় উদ্যানে। বনের ছায়াঘেরা ট্রেইলে হাঁটুন এবং হরিণ প্রজনন কেন্দ্র পরিদর্শন করুন।

২য় ধাপ

দুপুর (১১:০০ - ১:০০)

ঐতিহাসিক দোখলা বন বিশ্রামাগার পরিদর্শন করুন। এরপর কাছেই অবস্থিত সুবিশাল আনারস ও কলার বাগানে গিয়ে কৃষকদের সাথে কথা বলুন।

৩য় ধাপ

দুপুরের খাবার (১:৩০ - ২:৩০)

জলছত্র বাজার বা স্থানীয় গারো কমিউনিটি হোমস্টেতে গিয়ে ঐতিহ্যবাহী ভাত, ভর্তা, মেওয়া (বাঁশের কোড়ল) ও দেশি মাছ-মাংস দিয়ে দুপুরের খাবার খান।

৪র্থ ধাপ

বিকেল (৩:০০ - ৫:৩০)

পীরগাছা রাবার বাগান ও সেন্ট পলস গির্জা দর্শন। ফেরার পথে জলছত্র পাইকারি হাট থেকে তাজা মিষ্টি আনারস কিনুন।

স্থানীয় সরকার ও ইউনিয়ন

প্রশাসনিক কাঠামো ও ইউনিয়ন পরিচিতি

মধুপুর উপজেলা ১টি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা এবং ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে গঠিত।

মধুপুর পৌরসভা

প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল | 'ক' শ্রেণি
উপজেলার প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র

মোট ৯টি ওয়ার্ড এবং ২৩টি মহল্লা নিয়ে গঠিত মধুপুর পৌর এলাকা। এটি উপজেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্য, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র।

ইউনিয়ন ০১

অরণখোলা ইউনিয়ন

শালবন ও সবচেয়ে বেশি আনারস উৎপাদনকারী ইউনিয়ন। ঐতিহ্যবাহী জলছত্র হাট এখানেই অবস্থিত।

ইউনিয়ন ০২

আলোকদিয়া ইউনিয়ন

কৃষি ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ, উর্বর ও জনবহুল একটি ইউনিয়ন।

ইউনিয়ন ০৩

আউশনারা ইউনিয়ন

আনারস, কলা, আদা ও বৈচিত্র্যময় কৃষিজ ফসলের অন্যতম বৃহত্তম উৎপাদন কেন্দ্র।

ইউনিয়ন ০৪

গোলাবাড়ী ইউনিয়ন

বংশী নদীর তীরবর্তী উর্বর পলিমাটির কৃষিজমি ও ঐতিহাসিক গ্রামীণ জনপদ।

ইউনিয়ন ০৫

মির্জাবাড়ী ইউনিয়ন

শিক্ষা-দীক্ষা, সংস্কৃতি ও সুপ্রাচীন গ্রামীণ ঐতিহ্যের ধারক এক জনপদ।

ইউনিয়ন ০৬

শোলাকুড়ি ইউনিয়ন

সীমান্তবর্তী বনাঞ্চল, গারো ও কোচ জনবসতি এবং প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর ইউনিয়ন।

জনকল্যাণ ও সেবা

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো

স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

  • মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ: বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
  • মধুপুর রানী ভবানী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়: সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ।
  • মধুপুর সরকারি কলেজ ও গারো নারী শিক্ষা কেন্দ্রসমূহ।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা

  • মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সরকারি সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা (Universal Health Coverage) পাইলট প্রকল্পের আওতাভুক্ত আধুনিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র।
  • জলছত্র কুষ্ঠ হাসপাতাল (Leprosy Hospital): আন্তর্জাতিক মানের ঐতিহাসিক কুষ্ঠ নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র।